শিক্ষকতায় আসার আগে আমি ছয় বছর একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে ছিলাম। যেখানে পাঁচটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ আমাকে শিখতে হয়েছিল। তাই নতুন ল্যাংগুয়েজ কিভাবে শিখেছি সেই অভিজ্ঞতা এই লেখা লিখছি। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে মূলত দুই ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয় - ফাংশনাল ও অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড। তাই শুরুতে যেকোনো একটা ভালভাবে শিখে ফেলতে পারলে নতুন ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা তেমন কঠিন কিছু নয়। কারন দুনিয়ার সকল প্রোগ্রাম তৈরী হয় বিল্ডিং ব্লক দিয়ে। যদি ফাংশনাল (যেমন C) প্রোগ্রামিংয়ের কথা চিন্তা করি তাহলে প্রধান বিল্ডিং ব্লকগুলো হলো -

১. ডাটা টাইপ

২. ভেরিয়েবল 

৩. এক্সপ্রেশন 

৪. স্টেটমেন্ট 

৫. বিভিন্ন অপারেটর

৬. কন্ডিশন

৭.  এ্যারে

৮. স্ট্রিং 

৯. লুপ

১০. ফাংশন

তো আমি যখন কোনো নতুন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখা শুরু করি তখন প্রথমেই উপরের বিল্ডিং ব্লকগুলো ব্যবহার করার সিনট্যাক্স গুলো ভালো করে আয়ত্ত করি। তারপর সোজা সমস্যা সমাধান করা শুরু করে দেই এবং যা করলে নতুন অনেক কিছু শেখা যায়। শুধু বই পড়ে কিংবা টিউটোরিয়াল দেখা কোনো কাজের জিনিস না। তাই বিল্ডিং ব্লক শেখার পরেই রিয়েল লাইফ প্রব্লেম সমাধান করা উচিত। C প্রোগ্রামিং শেখার পর যদি কেউ পাইথন শিখতে চায় তাহলে পাইথনের বিল্ডিং ব্লকগুলো পাওয়া যাবে এখানে

এখন অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড (C#, Java) প্রোগ্রামিংয়ের কথায় আসা যাক। যার প্রধান বিল্ডিং ব্লকগুলো হলো -

১. ক্লাস

২. অবজেক্ট

৩. পলিমরফিজম

৪. ইনহেরিটেন্স

৫. এ্যাবস্ট্রাকশন

৬. এসোসিয়েশন 

৭. এগ্রিগেশন 

৮. কম্পোসিশন 

তো নতুন অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করলে উপরের বিল্ডিং ব্লকগুলোর সিনট্যাক্স আগে শিখতে হবে তারপর সোজা রিয়েল লাইফ প্রব্লেম সমাধান করা।

অনেক পেঁচাইলাম! মূলকথা হলো বিল্ডিং ব্লক ধরে প্রোগ্রামিং শেখা যেহেতু দুনিয়ার সকল ল্যাঙ্গুয়েজে বিল্ডিং ব্লকগুলো একই। 

Post a comment


Comments are closed